Responsive image

সিকদার গ্রুপের ব্যাংক ঋণ ৬ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক, বিনিয়োগবার্তা: দেশের প্রথম প্রজন্মের বড় উদ্যোক্তা জয়নুল হক সিকদারের মৃত্যু হয়েছে সম্প্রতি। তার হাতে গড়ে ওঠা সিকদার গ্রুপের ব্যবসা সম্প্রসারিত হয়েছে ব্যাংক, বীমা, বিদ্যুৎ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, আবাসন, নির্মাণ, হোটেল, পর্যটন, এভিয়েশনসহ বিভিন্ন খাতে। এশিয়া, আমেরিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে সিকদার পরিবারের বিনিয়োগ ও সম্পদের বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে এ শিল্প উদ্যোক্তার আত্মজীবনীতে। তবে যে বিষয়টি অজানা থেকে গেছে, তা হল সিকদার গ্রুপের ব্যাংকঋণ। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, এ মুহূর্তে সিকদার গ্রুপের ঋণের পরিমাণ ৬ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা। গ্রুপের এক ডজনের বেশি কোম্পানির নামে এ ঋণ নেয়া হয়েছে দেশের বিভিন্ন ব্যাংক থেকে। এ ঋণের সিংহভাগই নেয়া হয়েছে ফান্ডেড বা মেয়াদি ঋণ হিসেবে।

শিল্প উদ্যোক্তা হিসেবে জয়নুল হক সিকদারের প্রতি অগাধ আস্থা ও বিশ্বাস ছিল ব্যাংকারদের। ন্যাশনাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে জয়নুল হক সিকদারের দাপট ছিল ব্যাংক খাতেও। কিন্তু তার মৃত্যুতে শিল্প গ্রুপটির প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস কতটুকু থাকবে, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।

সিকদার গ্রুপকে ঋণ প্রদানকারী ব্যাংকগুলোর শীর্ষ নির্বাহীসহ সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জয়নুল হক সিকদারের আট সন্তানের প্রায় সবাই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। এর মধ্যে তার দুই ছেলে ফৌজদারি মামলার আসামি হয়ে বিতর্কে জড়িয়েছেন। এ শিল্প উদ্যোক্তার মৃত্যুর পর তার ব্যবসা-বাণিজ্যের হাল ধরবেন কে? তা এখনো নির্ধারণ হয়নি। এ নিয়ে উত্তরাধিকারদের মধ্যে মতবিরোধের গুঞ্জনও শোনা যাচ্ছে। সন্তানদের ঐক্য রক্ষায় মনোয়ারা সিকদারই ন্যাশনাল ব্যাংকসহ সিকদার গ্রুপের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিতে পারেন বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

জয়নুল হক সিকদারের সন্তানদের মধ্যে পারভীন হক সিকদার দেশে সবচেয়ে বেশি পরিচিত। আওয়ামী লীগ থেকে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য তিনি। ন্যাশনাল ব্যাংক পর্ষদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। সিকদার গ্রুপ ও ন্যাশনাল ব্যাংকের পরবর্তী চেয়ারম্যান কে হচ্ছেন—এমন প্রশ্নের জবাবে গত সোমবার পারভীন হক সিকদার সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা এখনো শোকের মধ্যে আছি। মঙ্গলবার বাবার কুলখানি হবে। এ অবস্থায় এসব নিয়ে চিন্তা বা মন্তব্য করার সুযোগ নেই।’ জয়নুল হক সিকদারের বড় ছেলে মমতাজুল হক সিকদারসহ অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারিতে সিকদার গ্রুপের ১৪টি কোম্পানির ঋণের পরিমাণ ছিল ৫ হাজার ৫০৬ কোটি টাকা। সিকদার গ্রুপের পরিচালক রন হক সিকদারের নামে ছিল ৬৮১ কোটি টাকার ঋণ। ১৯৩ কোটি টাকা ঋণ ছিল রিক হক সিকদারের নামে। সব মিলিয়ে গ্রুপটির ঋণের পরিমাণ ৬ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা। এ ঋণের মধ্যে ৫ হাজার ৮৮৫ কোটি টাকাই ফান্ডেড বা মেয়াদি ঋণ। বাকি ৪৯৫ কোটি টাকা নন-ফান্ডেড।

দেশে বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ থাকলেও এ মুহূর্তে সিকদার পরিবারের সবচেয়ে বড় ব্যবসা হলো বিদ্যুৎ খাতে। শিল্প গ্রুপটির ঋণের বড় অংশও বিদ্যুৎ খাতের বিভিন্ন কোম্পানির নামে নেয়া। এর মধ্যে পাওয়ার প্যাক মতিয়ারা কেরানীগঞ্জ পাওয়ার প্লান্ট লিমিটেডের নামে ঋণ রয়েছে ১ হাজার ৬৭১ কোটি টাকা। মাল্টিপ্লেক্স হোল্ডিংস লিমিটেডের নামে ২১০ কোটি, পাওয়ার প্যাকের নামে ১২ কোটি, পাওয়ার প্যাক হোল্ডিংস লিমিটেডের নামে ৪৫ কোটি, পাওয়ার প্যাক মতিয়ারা খুলনা পাওয়ার প্লান্ট লিমিটেডের নামে ২৭ কোটি টাকা ঋণ রয়েছে। তবে সিকদার গ্রুপের সবচেয়ে বেশি ঋণ রয়েছে পাওয়ার প্যাক মতিয়ারা জামালপুর পাওয়ার প্লান্ট লিমিটেডের নামে। এ বিদ্যুৎকেন্দ্রের নামে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে নেয়া ঋণের পরিমাণ ২ হাজার ২২১ কোটি টাকা।

এছাড়া সিকদার গ্রুপের প্রতিষ্ঠান আর অ্যান্ড আর এভিয়েশন লিমিটেডের নামে ৪৬ কোটি, সিকদার রিয়েল এস্টেট লিমিটেডের নামে ৬৯৫ কোটি, জেড এইচ সিকদার উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হসপিটালের নামে ৮ কোটি, জয়নুল হক সিকদার উইমেন্স মেডিকেল কলেজের নামে ২ কোটি ও বিইএল কনস্ট্রাকশন এসডিএন বিএইচডি লিমিটেডের নামে ৫৬৯ কোটি টাকা ঋণ রয়েছে।

পাওয়ার প্যাক হোল্ডিংস লিমিটেডের ওয়েবসাইটের তথ্য বলছে, বর্তমানে পাওয়ার প্যাকের ঢাকার কেরানীগঞ্জ ও জামালপুরে দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্র উৎপাদনে আছে। এর মধ্যে কেরানীগঞ্জ ইউনিটটির উৎপাদন সক্ষমতা ১০০ মেগাওয়াট। আর জামালপুরের কেন্দ্রটি ৯৪ দশমিক ৮৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে। পাওয়ার প্যাকের দুটি ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ১৯৪ দশমিক ৮৪ মেগাওয়াট। যদিও এ দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের নামেই ব্যাংকঋণ রয়েছে ৩ হাজার ৮৯২ কোটি টাকা।

সিকদার গ্রুপের বিদ্যুৎ খাতের একটি কোম্পানিতে বড় ঋণ দেয়া একটি ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, উদ্যোক্তা হিসেবে জয়নুল হক সিকদারের প্রতি আমাদের অগাধ আস্থা ও বিশ্বাস ছিল। এজন্য তার কোম্পানিতে আমরা ঋণ দিতে কখনো কার্পণ্য করিনি। কিন্তু জয়নুল হক সিকদারের মৃত্যুর পর গ্রুপটির ভবিষ্যৎ কী হবে, তা নিয়ে আমাদের মাঝে উদ্বেগ আছে। এখন ঋণের টাকা তুলে আনাই হবে আমাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

ধারদেনা করে ১৯৫৭ সালে একটি ট্রাক কিনেছিলেন ইপিআরে চাকরি করা জয়নুল হক সিকদার। নিজেই ড্রাইভার আর তার চাচাতো ভাই হাকিম ছিলেন ট্রাকের হেলপার। ট্রাকের প্রথম ট্রিপ হিসেবে বিমানবন্দর এলাকা থেকে খড় এনে তেজগাঁওয়ে কোহিনুর কেমিক্যাল কোম্পানিতে পৌঁছে দেয়ার দায়িত্ব পান। ভাড়া হিসেবে এতে আয় হয় ১৫ টাকা। যৎসামান্য এ অর্থ উপার্জনের মাধ্যমেই উদ্যোক্তার খাতায় নাম তুলেছিলেন তিনি। পরবর্তী ছয় দশক জুড়েই ছিল তার ব্যবসায়িক সফলতার গল্প।

একটি ট্রাক কেনার মাধ্যমে যে ব্যবসার সূত্রপাত সেটিই গত ছয় দশকে রূপান্তরিত হয় একটি বৃহৎ শিল্প গ্রুপে। রাজধানী ঢাকা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন জেলায় বিনিয়োগ রয়েছে সিকদার গ্রুপের। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে সিকদার পরিবারের ব্যবসা সম্প্রসারিত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ডসহ বিশ্বের অন্তত এক ডজন দেশে। বিভিন্ন সূত্র থেকে সিকদার পরিবারের ব্যবসা ও সম্পদের বিষয়ে যে তথ্য পাওয়া যায়, তাতে দেখা যাচ্ছে দেশের তুলনায় বিদেশেই সিকদার গ্রুপের ব্যবসা বেশি।

সিকদার পরিবারের ব্যবসা-বাণিজ্যের একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে জয়নুল হক সিকদারের আত্মজীবনীতে। ‘ব্যতিক্রমী ব্যক্তিত্ব’ নামে জয়নুল হক সিকদারের আত্মজীবনীটি বদিউজ্জামান চৌধুরী নামের একজন লিখেছেন। এ আত্মজীবনীটি ন্যাশনাল ব্যাংকের ওয়েবসাইটেও আপলোড করা আছে।

বইটিতে দেয়া তথ্যে দেখা যায়, আমেরিকার লস অ্যাঞ্জেলেসে ১২১০১ প্লামস বলভেরড, সিএ-৯০০৬৬ ঠিকানায় জয়নুল হক সিকদারের একটি বাড়ি রয়েছে। দেশটির বেভারলি হিলস এফআর-১১৩০ ঠিকানায়ও একটি বাড়ি রয়েছে তার। এ দুটি বাড়ির বাইরেও আমেরিকায় আরো চারটি বাড়ি নিজেদের ব্যবহারের জন্য রেখেছেন জয়নুল হক সিকদার। পাশাপাশি আমেরিকায় রিয়েল এস্টেট, এনার্জি ড্রিংকের কোম্পানি, গ্যাস স্টেশন ও অটোমেটিক কার ওয়াশিংয়ের ব্যবসাও রয়েছে সিকদার পরিবারের। দেশটিতে আটটি গ্যাস স্টেশন ও ১২টি অটোমেটিক কার ওয়াশিং সেন্টার রয়েছে বলে জয়নুল হক সিকদারের আত্মজীবনীতে উল্লেখ করা হয়েছে। আমেরিকা ছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাড়ি ও অবকাশ যাপন কেন্দ্র নির্মাণ করেছে সিকদার পরিবার।

সিকদার পরিবারের ব্যবসা কয়ি গ্রুপের হোটেল, রেস্টুরেন্ট, ক্লাব, স্পা ও বিনোদনকেন্দ্র রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, সংযুক্ত আরব আমিরাত, থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশে। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা রয়েছে যুক্তরাজ্য, সিঙ্গাপুর, সুইজারল্যান্ডসহ ক্যারিবিয়ান দ্বীপরাষ্ট্রগুলোতে।

বাংলাদেশে বিদ্যুৎ খাতের ব্যবসার পাশাপাশি সিকদার গ্রুপের ব্যবসা রয়েছে আবাসন খাতে। মুন্সীগঞ্জের নিমতলা, সিরাজদিখান, পটুয়াখালীর কুয়াকাটা, ঢাকার কেরানীগঞ্জ, জামালপুর, বান্দরবানের নীলগিরি, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটির কাপ্তাই, খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সিকদার গ্রুপের বিপণিবিতান, হোটেল, রেস্টুরেন্ট ও আবাসন ব্যবসা রয়েছে। সিকদার গ্রুপের প্রতিষ্ঠান আর অ্যান্ড আর এভিয়েশনের অধীনে চারটি হেলিকপ্টার ও জেট ইঞ্জিনচালিত উড়োজাহাজ রয়েছে।

জয়নুল হক সিকদার স্বপরিবারে দেশ ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে থিতু হয়েছিলেন আশির দশকের শুরুতে। যদিও আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্রে যাতায়াত ছিল তার। জয়নুল হক সিকদার ও তার স্ত্রী মনোয়ারা সিকদার যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। পাশাপাশি এ দম্পতির আট সন্তানের প্রায় সবার যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব রয়েছে। এ দম্পতির তিন মেয়ে হলেন নাসিম সিকদার, পারভীন হক সিকদার, লিসা ফাতেমা হক সিকদার। এর মধ্যে পারভীন হক সিকদার বাংলাদেশে বসবাস করেন। বাকি দুই কন্যাই স্থায়ীভাবে বসবাস করেন যুক্তরাষ্ট্রে। জয়নুল হক সিকদারের পাঁচ ছেলের মধ্যে সবার বড় হলেন মমতাজুল হক সিকদার। অন্য ছেলেরা হলেন নিক হক সিকদার, দিপু হক সিকদার, রিক হক সিকদার ও রন হক সিকদার। তবে দেশের বাইরে অবস্থান করলেও এ দম্পতির সব সন্তানই সিকদার গ্রুপের পরিচালক। পাশাপাশি জয়নুল হক সিকদারের নাতি-নাতনিদের মধ্যে মনিকা সিকদার, মেন্ডি সিকদার, জেফ্রী সিকদার, জোনাস সিকদার, সিন হক সিকদার, জন হক সিকদারও শিল্প গ্রুপটির পরিচালক হিসেবে রয়েছেন।

করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে গত ১০ ফেব্রুয়ারি জয়নুল হক সিকদার মারা যান। মৃত্যুর আগে বেশ কিছুদিন তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই ন্যাশনাল ব্যাংকসহ সিকদার গ্রুপের বেশির ভাগ ব্যবসা একাই সামলাতেন জয়নুল হক সিকদার। এ অবস্থায় তার মৃত্যুতে গ্রুপটির ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নির্ধারণ নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে বলে সিকদার পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত একাধিক সূত্র জানিয়েছে।

সূত্র মতে, পরিবারের একটি অংশ চায় পারভীন হক সিকদার গ্রুপের ব্যবসার হাল ধরুক। এক্ষেত্রে ন্যাশনাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদেও তাকেই ভাবা হচ্ছে। কিন্তু এ প্রস্তাবের বিরোধিতায় রয়েছেন রন হক সিকদারসহ তার একাধিক ভাই। রন হক সিকদার ন্যাশনাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান হতে চান বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। যদিও এক্সিম ব্যাংকের এমডিকে গুলি করে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় মামলার আসামি হওয়ার কারণে বিপাকে রয়েছেন তিনি। পিতার মৃত্যুর পর দেশে এসে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়ে জামিন পেয়েছেন তিনি। এ অবস্থায় পারিবারিক ঐক্য রক্ষা ও ব্যবসার হাল ধরতে জয়নুল হক সিকদারের স্ত্রী মনোয়ারা সিকদারই শেষ ভরসা বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

ন্যাশনাল ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এস এম বুলবুলকে সিকদার পরিবারের ঘনিষ্ঠ বলে বিবেচনা করা হয়। সংবাদ মাধ্যমকে এ ব্যাংকার বলেন, জীবদ্দশায় জয়নুল হক সিকদার তার পরিবারের কোনো সদস্যকে সিকদার গ্রুপ বা ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব নিতে বলেছেন বলে আমরা শুনিনি। চেয়ারম্যানের মৃত্যুতে তার পরিবারের পাশাপাশি আমরাও শোকাহত। এজন্য এখনো ন্যাশনাল ব্যাংকের পর্ষদ সভা আয়োজনের বিষয়টি ভাবা হয়নি। তবে দ্রুতই ব্যাংকের পর্ষদ সভা আহ্বান করা হবে। নতুন চেয়ারম্যান নির্বাচনের ক্ষেত্রে কিছুটা সময় লাগতে পারে।

(ডিএফই/১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১)

Short URL: https://biniyougbarta.com/?p=137713

সর্বশেষ খবর