মোস্তাফা জব্বার 

২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশের লক্ষ্য পূরণে কাজ করছে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক: ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, আমরা ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশের লক্ষ্য পূরণে কাজ করছি। টেলিযোগাযোগ খাতের প্রধান লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের সব মানুষকে কানেক্টিভিটির সুবিধায় নিয়ে আসা।

তিনি আরো বলেন, শিক্ষা, শিল্প ও টেক্সটাইলসহ প্রতিটি খাতে কানেক্টিভিটির ভূমিকা অপরিসীম; তাই আমরাও এর গুরুত্ব বুঝতে পেরেছি। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এবং সব অংশীজনদের সহযোগিতায় আমরা ২০৪১ সালের মধ্যে আমাদের স্মার্ট বাংলাদেশের ভিশন বাস্তবে পরিণত করতে পারবো বলে আমি প্রত্যাশা করছি।

বুধবার (২৩ নভেম্বর) হুয়াওয়ে এর আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নের পার্টনার টু কানেক্ট ডিজিটাল অ্যালায়েন্স অনুষ্ঠানে অনলাইনে যুক্ত হয়ে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ওই অনুষ্ঠানে আইটিইউ এবং জাতিসংঘের সিনিয়র নেতারা, কম্বোডিয়া, নাইজেরিয়া এবং পাকিস্তানের টেলিকম মন্ত্রী এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতিনিধি এবং ব্যবসায়ী নেতারা অনলাইনে যোগ দেন। পাশাপাশি, চীন, দক্ষিণ আফ্রিকা, বেলজিয়াম এবং জার্মানি থেকে অংশীদার, বিশেষজ্ঞ এবং ক্রেতারাও এ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। এছাড়াও, বিভিন্ন দেশের সাংবাদিকরাও এ অনুষ্ঠানে সশরীরে ও অনলাইনে অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্যে হুয়াওয়ের চেয়ারম্যান ডক্টর লিয়াং বলেন, ডিজিটাল যুগে স্থিতিশীল নেটওয়ার্ক ব্যবহারের বিষয়টি মানুষের মৌলিক চাহিদা। যারা সংযোগবিহীন রয়েছেন, তাদের জীবন পরিবর্তনের জন্য প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত করে নির্ভরযোগ্য কানেক্টিভিটি।

তিনি আরো বলেন, ক্লাউড এবং কৃত্রিমবুদ্ধিমত্তা (এআই)-এর মতো ডিজিটাল প্রযুক্তির সঙ্গে একত্রে কানেক্টিভিটি প্রত্যেককে ডিজিটাল জগতে আনতে সাহায্য করবে এবং তাদের আরও তথ্য এবং দক্ষতা এবং উন্নত পরিষেবা এবং বৃহত্তর ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে সুযোগ প্রদান করবে। এর ফলে, আরও সামাজিক এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধিত হবে।

চীনে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী সিদ্ধার্থ চ্যাটার্জি নীতিনির্ধারকদের বিভিন্ন মহলের সহযোগিতা নিশ্চিত করতে, বেসরকারি খাত, অ্যাকাডেমিয়া ও সিভিল সোসাইটি এর প্রতিনিধিদের ডিজিটাল ব্যবধান দূরীকরণে বাস্তবসম্মত চিন্তা করার আহ্বান জানান, যাতে করে বিশ্ব জনসংখ্যার বাদ পড়া এক তৃতীয়াংশকে অন্তর্ভুক্ত করা যায়।

প্রত্যন্ত অঞ্চলের উন্নয়নের জন্য ডিজিটাল রূপান্তর, ডিজিটাল ট্যালেন্ট এবং নতুন ব্যবসায়িক মডেল সবই অপরিহার্য।  

হুয়াওয়ে জানায়, ২০২৫ সালের মধ্যে উন্নত আইসিটি অবকাঠামোর সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি ৫০০ মিলিয়ন মানুষকে ডিজিটাল আর্থিক পরিষেবা উপভোগ করতে এবং ৫ লাখ মানুষকে অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা প্রদানে সক্ষম করে তুলতে সহযোগীদের সঙ্গে কাজ করবে।

হুয়াওয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এর চলমান প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের মাধ্যমে, হুয়াওয়ে প্রত্যন্ত অঞ্চলে উন্নতমানের ডিজিটালাইজেশনে অবদান রাখছে; যা প্রত্যেককে ডিজিটাল জীবনের সুবিধা উপভোগ করতে সক্ষম করবে এবং বিশ্বব্যাপী ডিজিটাল অর্থনীতির ভারসাম্যপূর্ণ বিকাশে সহায়তা করবে।

বিনিয়োগবার্তা/এমআর// 


Comment As:

Comment (0)