Responsive image

গ্রামীণফোনের এজিএম সম্পন্ন; ডিভিডেন্ড অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক, বিনিয়োগবার্তা: গ্রামীণফোনের ২৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) সম্পন্ন হয়েছে। এজিএমে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ঘোষিত ২৭৫ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৯ এপ্রিল) ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বার্ষিক সাধারণ সভাটি পরিচালনা করে গ্রামীণফোন।

কোভিড-১৯ সৃষ্ট পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী এবং উপস্থিত শেয়ারহোল্ডার, কর্মী ও অন্যান্য সদস্যদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি বিবেচনা করে, এ বছর ধারাবাহিক দ্বিতীয় বারের মতো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে এজিএম করেছে কোম্পানিটি।

গ্রামীণফোনের কোম্পানি সচিব এস এম ইমদাদুল হকের পরিচালনায় ভার্চুয়াল এজিএমে অংশ নেন গ্রামীণফোনের বোর্ড চেয়ারম্যান ইয়র্গেন সি. অ্যারেন্টজ রোস্ট্রাপকে, প্রধান নির্বাহী ইয়াসির আজমানসহ বোর্ডের সদস্যগণ এবং প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী ইয়াসির আজমান বলেন, কোভিড-১৯ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আমাদের কর্মী ও সাপ্লাই চেইন পার্টনারদের সুরক্ষা নিশ্চিতের পাশাপাশি সফলভাবে প্রতিষ্ঠানের কাজ পরিচালনায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে ২০২০ সালে দক্ষতার সাথে আমরা আমাদের কার্যক্রম পরিচালনা করেছি। সম্মুখসারির স্বাস্থ্যকর্মীদের সহায়তায়, সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে, জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনায় এবং লকডাউনে আমাদের নেটওয়ার্ক সক্রিয় রাখার ক্ষেত্রে নির্দেশনা দিয়ে সহযোগিতা করায় ও আমাদের নানা কার্যক্রমে সহযোগী হওয়ার জন্য আমরা সরকার, নিয়ন্ত্রক সংস্থা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং উন্নয়ন সহযোগীদের প্রতি কৃতজ্ঞ।

গ্রামীণফোনের বোর্ড চেয়ারম্যান ইয়র্গেন সি. অ্যারেন্টজ রোস্ট্রাপকে বলেন, এ বছর আমাদের লক্ষ্য হবে গ্রামীণফোনের দীর্ঘমেয়াদী টেকসই ব্যবসায়িক ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা। আমরা কোভিড উদ্ভুত পরিস্থিতিতে প্রতিকূলতার সাথে মানিয়ে নিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের বিশ্বাস, যেসব বিষয়ের ওপর প্রতিষ্ঠান কাজ করছে তা উন্নত নেটওয়ার্ক অভিজ্ঞতা দানে, প্রবৃদ্ধি নিশ্চিতে, উদ্ভাবনে, আধুনিকীকরণে, সমাজের পাশে দাঁড়াতে এবং দায়িত্বশীল উপায়ে ব্যবসা পরিচালনায় সহায়তা করবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীনতার ৫০ বছর উদযাপন করছে এবং এর লক্ষ্য উচ্চ আয়ের দেশে পরিণত হওয়া। নিউ নরমালে গ্রাহকদের প্রয়োজন মেটানোর মাধ্যমে কানেক্টিভিটি পার্টনার হিসেবে এ যাত্রায় বাংলাদেশের ভবিষ্যতের সম্ভাবনা উন্মোচনে গ্রামীণফোন ধারাবাহিকভাবে অবদান রাখতে প্রত্যাশী। গ্রামীণফোন এ ব্যাপারে সবসময়ই অঙ্গীকারবদ্ধ এবং একইসাথে আমাদের শেয়ারহোল্ডার ও গ্রাহকদের ভ্যালু প্রদানেও আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবো।

২০২০ সালের বিনিয়োগকারীদের জন্য পরিশোধিত মূলধনের ১৪৫ শতাংশ হারে (অর্থাৎ ১০ টাকার শেয়ারে ১৪.৫ টাকা প্রতি শেয়ার) চূড়ান্ত আর্থিক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে গ্রামীণফোনের পরিচালনা পর্ষদ। এর ফলে, এ ক্যিাশ ডিভিডেন্ডের পরে পরিশোধিত মূলধনের মোট চূড়ান্ত ডিভিডেন্ডের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৭৫ শতাংশ, যার মধ্যে রয়েছে পূর্ববর্তী ১৩০ শতাংশ অন্তর্বর্তীকালীন ক্যাশ ডিভিডেন্ড। এ হিসাবে ২০২০ সালে গ্রামীণফোনের কর পরবর্তী মুনাফা দাঁড়ায় ৯৮.৮৬ শতাংশ।

(এসএএম/১৯ এপ্রিল ২০২১)

Short URL: https://biniyougbarta.com/?p=142512

সর্বশেষ খবর