Responsive image

করোনার ভ্যাকসিন ক্রয়সহ ৬ প্রকল্প অনুমোদন: ব্যয় হবে ৯৫৬৯ কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক, বিনিয়োগবার্তা: করোনার ভ্যাকসিন ক্রয়সহ ৬টি প্রকল্প অনুমোদন করেছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে সর্বমোট ব্যয় হবে মোট ৯ হাজার ৫৬৯ কোটি ২৩ লাখ টাকা।

মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী এবং একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে শেরে বাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি সভায় যুক্ত ছিলেন।

করোনার ভ্যাকসিন প্রকল্পটি ‘কভিড-১৯ ইমার্জেন্সি রেসপন্স অ্যান্ড পেন্ডামিক প্রিপেয়ার্ডনেস’ প্রকল্পের প্রথম সংশোধনী। এতে প্রকল্পটির ব্যয় বাড়িয়ে করা হয়েছে ৬ হাজার ৭৮৬ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। প্রকল্পটির মূল খরচ ছিল ১ হাজার ১২৭ কোটি ৫২ লাখ টাকা। অর্থাৎ করোনা মোকাবিলার এ প্রকল্পের খরচ বাড়লো ৫ হাজার ৬৫৯ কোটি ৭ লাখ টাকা।

সভার পরে পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান সাংবাদিকদের বলেন, আজ বর্তমান সরকারের ৫৩তম একনেক সভায় সাতটি প্রকল্পের প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। এর মধ্যে ছয়টি প্রকল্প অনুমোদন পায়, একটি প্রকল্প আরো সংশোধনীর জন্য পাঠানো হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, অনুমোদন পাওয়া ছয়টি প্রকল্পে যে ব্যয় হবে তার মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে আসবে ৩ হাজার ৮৬৭ কোটি ৫৮ লাখ টাকা এবং বিদেশী ঋণ থেকে সংগ্রহ করা হবে ৫ হাজার ৭০১ কোটি ৬৫ লাখ টাকা।

যে প্রকল্পটি অনুমোদন পায়নি সে সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, যে প্রকল্পটি পাস হয়নি সেটি হচ্ছে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ প্রকল্পের সংশোধনী।

মন্ত্রী বলেন, আপনারা জানেন আওয়ামী লীগ সরকার অনেক জায়গায় মেডিকেল কলেজ করছে। অন্যান্য কলেজও করছে। শিক্ষাক্ষেত্রে বিশাল একটা বিস্ফোরণের পর্যায়ে আমরা আছি এবং মেডিকেল শিক্ষা, প্রযুক্তি শিক্ষাকে সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিজেও এতে খুবই আগ্রহী। অনেক জায়গায় এ নিয়ে অনেক সমালোচনাও হচ্ছে। কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মনে করেন, করে ফেললেই এটা করা হবে। করলে ঠিকই আমাদের জনবল তৈরি হবে, আমাদের শিক্ষক তৈরি হবে, সম্ভব। আমরাও তার সঙ্গে একমত, আমি ব্যক্তিগতভাবে একমত। সেই সুবাদে কুষ্টিয়ায় ২০১০ সালে একটি মেডিকেল কলেজ স্থাপনের পরিকল্পনা হয়েছিল। ২০১২ সালে নির্মাণকাজ শুরু হওয়া সেই কলেজটির কাজের গতিবিধি সন্তোষজনক নয়। এখন পর্যন্ত এটি শেষ হয়নি, আজ এসেছিল তৃতীয় সংশোধনী। কয়েক দফায় মেয়াদ বাড়িয়ে আজকে ২০২৩ পর্যন্ত প্রস্তাবনা এসেছে। এটা নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিরক্তি ও অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। তারা নিজেদের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেছেন, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী এটা তাৎক্ষণিক তদন্ত করতে বলেছেন। খুব শিগগিরই এর রিপোর্ট তিনি চেয়েছেন।

(এসএএম/০৫ জানুয়ারি ২০২১)

 

Short URL: https://biniyougbarta.com/?p=134131

সর্বশেষ খবর