BIDA EC 4

সাক্ষাৎকারে বিডা চেয়ারম্যান

বিশ্বের অন্যতম বিনিয়োগ গন্তব্য এখন বাংলাদেশ

‘বাংলাদেশের অর্থনীতি বিশ্বের অন্যতম স্থিতিশীল অর্থনীতি। বিগত তিন দশক ধরেই আমাদের অর্থনীতি একটি গতিশীল প্রবণতার মধ্যে রয়েছে। প্রায় তিন দশক ধরে বার্ষিক ৬ শতাংশের উপর জিডিপি প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা সহজসাধ্য নয়। কোনো অর্থনীতি একটি স্থায়ী এবং সুসংহত কাঠামোর উপর দাঁড়িয়ে থাকলেই কেবল এটা সম্ভব হতে পারে। আমাদের এটাও ভাবতে হবে যে, প্রতি বর্গকিলোমিটারে বসবাসরত প্রায় ১৩২৯ জন মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ করে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ধারা বজায় রাখা একটি কঠিন কাজই বটে। বিশ্বের আর কোনো দেশে এ ধরনের অভিজ্ঞতা আছে বলে আমার জানা নেই। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার দূরদৃষ্টিসম্পন্ন সবল নেতৃত্বের কারণেই এটা সম্ভব হয়েছে, যা এখন বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি লাভ করেছে।’

বিনিয়োগবার্তা’র সাথে একান্ত আলোচনায় এসব কথা বলেন, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এর নির্বাহী চেয়ারম্যান মোহাম্মদ লোকমান হোসেন মিয়া। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন বিনিয়োগবার্তা’র সম্পাদক মোহাম্মদ শামীম আল মাসুদ। সহযোগিতায় ছিলেন বিনিয়োগবার্তা’র স্টাফ রিপোর্টার কামরুল হুদা কায়েস।

মোহাম্মদ লোকমান হোসেন মিয়া বলেন, সাম্প্রতিক ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ, ফিলিস্তিন-ইসরাইল যুদ্ধ, লোহিত সাগরের অস্বস্তিকর পরিস্থিতি ইত্যাদি কারণে অর্থনীতি হয়তো কিছুটা প্রতিকূলতার সম্মুখীন হলেও তা মোকাবেলার সামর্থ্য বাংলাদেশের অর্থনীতির রয়েছে। বিশ্বের অনেক দেশেরই খনিজ পদার্থ, ভৌগোলিক কারণে প্রাপ্ত পর্যটন সুবিধা ইত্যাদি অনুকূল পরিবেশ রয়েছে। এর বিপরীতে আমাদের রয়েছে সবল নেতৃত্ব আর বিপুল জনশক্তি। আমাদের রাজনৈতিক নেতৃত্বের নির্দেশনা আর জনশক্তির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে অর্থনীতির সাময়িক প্রতিকূলতা মোকাবেলা করা সময়ের ব্যাপার মাত্র। আর একটা কথা বলতে পারি, আমাদের অর্থনীতি তার স্বাভাবিক গতিতে ফিরতে শুরু করেছে। আমি বিশ্বাস করি গত ১৫ বছরে এদেশের অর্থনীতি, যা অর্জন করেছে আগামী ৫ বছরে তার সমপরিমাণ অর্জন হবে।

তিনি বলেন, আপনারা জানেন যে, শত প্রতিকূলতার মুখেও দেশের রপ্তানি বাণিজ্য বৃদ্ধি পেয়েই চলেছে। এটি এদেশের সরকার এবং জনগণের কঠোর প্রতিজ্ঞা এবং দক্ষতার পরিচায়ক। বর্তমান সরকারের ক্ষমতা গ্রহণের প্রাক্কালে ২০০৮ সালে বার্ষিক বৈদেশিক বিনিয়োগের প্রবাহ ছিল মাত্র ৭৬৮ মিলিয়ন ডলার। বিগত ৫ বছরে গড়ে প্রায় ৩.০৯ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক বিনিয়োগ আহরিত হয়েছে। দেশে মোট বৈদেশিক বিনিয়োগের স্থিতি ২০০৮ সালের ৫.৩ বিলিয়ন ডলার থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২০২৩ সালে হয়েছে ২০.২ বিলিয়ন ডলার। অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, বিনিয়োগ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে স্থানীয় ও বৈদেশিক বিনিয়োগ প্রবাহ বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ নিরলসভাবে কাজ করছে। আপনারা জেনে আনন্দিত হবেন যে, ২০০৯-১০ হতে ২০২৩-২৪ অর্থবছর, অর্থাৎ বিগত ১৩ বছরে ১৩১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার স্থানীয় বিনিয়োগ এবং ৫৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিদেশি বিনিয়োগ নিবন্ধন করা হয়েছে। এ সকল বিনিয়োগ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ৪০ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে। বিনিয়োগের এ ধারা অব্যাহত থাকলে দেশে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পেতে থাকবে বলে আশা করা যায়।

আমরা ইতোমধ্যে বাংলাদেশে বিনিয়োগের অনেক নতুন সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত নির্দেশনায় বন্ধ ঘোষিত ২৩টি সরকারি পাটকলকে ইজারা ভিত্তিতে বেসরকারি খাতে পরিচালনার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। এ পর্যন্ত মোট ১৮টি পাটকল ইজারা দেয়া সম্ভব হয়েছে। ইজারা প্রদানকৃত পাটকলসমূহ নতুন বিনিয়োগের মাধ্যমে অচিরেই পুরোদমে চালূ হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। এগুলো চালু হলে পাটখাতে ব্যাপক কর্মসংস্থান হবে, পাটপণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধি পাবে এবং পাটশিল্প স্বাভাবিক গতিধারায় ফিরে আসবে। পাটখাতকে অগ্রাধিকার শিল্পের তালিকায় স্থান দেয়ার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনা রয়েছে।

গার্মেন্টস শিল্পের উপর একক নির্ভরতা কমাতে রপ্তানি বহুমূখীকরণ গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্যে আমরা কৌশলগত কয়েকটি খাত নিয়ে কাজ করছি। এর মধ্যে রয়েছে পাট ও পাটজাত পণ্য, কৃষিখাত, স্বাস্থ্য, স্টিল ও চামড়াজাত পণ্য, ফার্ণিচার, বাইসাইকেল, তথ্যপ্রযুক্তি ইত্যাদি। এ সকল খাতে গার্মেন্টস শিল্পের অনুরুপ সুযোগ সুবিধা প্রদান করা হলে এ খাতগুলো ব্যবসা ও দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ সম্প্রসারণে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারবে। আমরা এ সকল বিনিয়োগ প্রস্তাব বাস্তবায়ন ও সহজীকরণের কাজে সম্পৃক্ত রয়েছি। আশা করছি যে এ সকল কার্যক্রমের মাধ্যমে অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার বিনিয়োগ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে।

দেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধাসমূহ সম্পর্কে কিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন বিশ্বের অন্যতম বিনিয়োগবান্ধব দেশ। বাংলাদেশে যে কোনো দেশের অধিবাসী প্রায় সকল খাতে যে কোনো পরিমাণ বিনিয়োগ করতে পারেন। এই বিনিয়োগ তিনি ১০০ ভাগ নিজস্ব মালিকানায় বা যৌথ উদ্যোগে করতে পারবেন। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কোন ঊর্ধ্ব বা নিম্নসীমা নেই। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বাস্তবায়নাধীন ১০০টি অর্থনৈতিক জোন, ৩৯টি হাইটেক পার্ক বা অন্যান্য এলাকায় এই বিনিয়োগ করা যেতে পারে।

বিনিয়োগকারীগণ মাত্র ১ শতাংশ আমদানি কর দিয়ে মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানি করতে পারেন। এছাড়া কাঁচামাল আমদানির জন্য রয়েছে বাণিজ্যিক খাতের চাইতে হ্রাসকৃত কর সুবিধা। বাংলাদেশে যে কোনো পণ্যের উৎপাদন ব্যয় অনেক কম, ফলে মুনাফা অর্জনের সম্ভাবনা বেশি। মুনাফা বা ডিভিডেন্ড নিজের দেশে ফেরত নিয়ে যেতেও কোনো অনুমতির প্রয়োজন নেই। বিশেষ কয়েকটি খাতে রয়েছে বিশেষ আয়কর সুবিধা ও রপ্তানির উপর নগদ প্রণোদনা। বাংলাদেশের সাথে ৩২টি দেশের সাথে দ্বৈতকর পরিহার চুক্তি রয়েছে। বিশেষ কয়েকটি খাতের জন্য বর্তমানে বন্ডেড ওয়্যারহাউজ সুবিধা দেয়া হচ্ছে যা ভবিষ্যতে আরো সম্প্রসারণ করা হবে।

বিডা কর্তৃক প্রদত্ত বিনিয়োগ সেবা সম্পর্কে প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী চেয়ারম্যান বলেন, বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য বিনিয়োগ বিষয়ক বিভিন্ন সংস্থার সেবাসমূহ সহজ ও দ্রুতগতিতে দেয়া প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ একটি Inter Operable ও সম্পূর্ণ অনলাইন One Stop Service (OSS) ব্যবস্থা প্রবর্তন করেছে। বর্তমানে ৩৭টি সংস্থার ১১১টি সেবা BIDA OSS হতে দেয়ার সুবিধা রয়েছে। এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম Inter Operable অনলাইন প্লাটফর্ম। ২০১৯ সালে প্রবর্তনের পর BIDA এই প্লাটফরমের মাধ্যমে ১ লক্ষ ১৪ হাজার সেবা প্রদান করেছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেবা প্রদানের হার প্রায় ৯৬ শতাংশ। এই উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য BIDA ২০২৩ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক স্মার্ট বাংলাদেশ পদকে ভূষিত হয়েছে। চলতি বছরের মধ্যেই বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রযোজ্য সকল ধরনের সেবা এই অনলাইন প্লাটফরমে যুক্ত করা হবে। তখন বিনিয়োগকারীগণ আরও দ্রুত ও সহজে সেবা পাবেন। বিনিয়োগকারীদের জন্য সহজে, দ্রুত ও স্বচ্ছ সেবা প্রাপ্তি নিশ্চিত করা বিডার অগ্রাধিকারমূলক কাজের মধ্যে অন্যতম।

বিগত সময়ে অনুষ্ঠিত ব্র্যান্ডিং বালাদেশ ও বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট সামিটের উল্লেখযোগ্য অর্জনসমূহ সম্পর্কে বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান বলেন,  ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশ কর্মসূচির মাধ্যমে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য অর্জনসমূহ এবং বাংলাদেশের পরিবর্তিত নতুন পরিচয় বিশ্বের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এবং সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের যৌথ উদ্যোগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে গত এক বছরে কাতার, জাপান, দক্ষিণ আফ্রিকা, ফ্রান্স, জার্মানি এবং বেলজিয়ামে বিনিয়োগ সম্মেলন আয়োজন করা হয়। এ সকল সম্মেলনের মাধ্যমে বাংলাদেশের অগ্রগতি, অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা এবং বিশ্বের অন্যতম বিনিয়োগ গন্তব্য হিসাবে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরা হয়। এই সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী বিদেশি উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীগণ বাংলাদেশে বিদ্যমান বিনিয়োগ সুবিধা সম্পর্কে জানতে পারছেন যা তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করে।

তিনি জানান, বিদেশে বিনিয়োগ সম্মেলন আয়োজনের পাশাপাশি দেশেও বিনিয়োগ সম্মেলন আয়োজন করা হয়। ২০২১ সালের নভেম্বর মাসে ঢাকায় আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এ সম্মেলনে ১৫০০ অংশগ্রহণকারী সরাসরি এবং ৩৫০০ জন আগ্রহী বিনিয়োগকারী অনলাইনের মাধ্যমে যোগদান করে। দুইদিন ব্যাপী এই সম্মেলনে ১৩টি সেক্টরের বিনিয়োগ সুবিধা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে এবং নেটওয়ার্কিং এর আয়োজন করা হয়েছে। সম্মেলনের শেষ দিনে প্রায় ৭ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ প্রতিশ্রুতি পাওয়া যায়। ফলশ্রুতিতে পরবর্তী অর্থবছরে বাংলাদেশে প্রায় ৩.৫ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক বিনিয়োগ এসেছে, যা উক্ত বিনিয়োগ সম্মেলনের সফলতার নির্দেশক। তাছাড়া, বিডার সহ-অংশীদারিত্বে (কো-পার্টনারশিপে) সাম্প্রতিক সময়ে উইমেন চেম্বারের সাথে আন্তর্জাতিক নারী উদ্যোক্তা সম্মেলন, CWEIC (Commonwealth Enterprise and Investment Council) কমনওয়েলথ বিজনেস সামিট, FBCCI এবং FICCI - এর সাথে বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজন করা হয়।

মোহাম্মদ লোকমান হোসেন মিয়া বলেন, ভবিষ্যতেও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এ ধরনের বিনিয়োগ আমন্ত্রণমূলক কর্মসূচি আয়োজন করবে। এ লক্ষ্যে বিডা একটি বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা তৈরি করেছে। উক্ত কর্মপরিকল্পনাটি ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। এই পরিকল্পনার মধ্যে দেশে এবং বিদেশে বিনিয়োগ সম্মেলন আয়োজন করা হবে। দেশে ঢাকার বাইরেও বিনিয়োগ সম্মেলন আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

দেশে বিদেশি বিনিয়োগ আরও বাড়াতে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়মিত ভিত্তিতে উন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই বলেও উল্লেখ করেন বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক লজিস্টিক র‌্যাঙ্কিং এ বাংলাদেশের অবস্থানের আরও উন্নয়ন প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের নেতৃত্বে জাতীয় লজিস্টিক নীতিমালা প্রণয়নের কাজ শেষ হয়েছে। এ নীতিমালা বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশের লজিস্টিক সেবার মান বৈশ্বিক পর্যায়ে উন্নীত হবে। একই উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সমুদ্র, বিমান ও স্থল বন্দরসমূহে পণ্য খালাস প্রক্রিয়া আরো দ্রুততর করতে হবে। কাস্টমস প্রক্রিয়া অধিকতর সহজীকরণ ও সম্পূর্ণ ডিজিটালাইজেশন এ ক্ষেত্রে অবদান রাখতে পারে।

বর্তমানে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মহোদয়ের সভাপতিত্বে গঠিত ন্যাশনাল কমিটি ফর মনিটরিং ইমপ্লিমেন্টেশন অফ ডুয়িং বিজনেস এর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট বিবেচনায় বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়ন কর্মসূচি প্রণয়ন করা হয়েছে। এ কর্মসূচির অধীনে ৭টি পিলার সংশ্লিষ্ট ১১০টি সংস্কার প্রস্তাবনা প্রণয়ন করা হয়েছে। সংস্কার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে কর্মশালা আয়োজন করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগ/সংস্থা এবং বেসরকারি খাতের অংশীজনদের সমন্বয়ে পিলারভিত্তিক ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করা হয়েছে। আমরা আশা করছি সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ের অংশগ্রহণে দেশে বিদ্যমান অনুকূল বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ আরো উন্নত এবং বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম বিনিয়োগ গন্তব্যস্থলে পরিণত হবে।

বিনিয়োগবার্তা/এসএএম//


Comment As:

Comment (0)